কৃষিপ্রণালী |

০,

দ্বিতীয় খণ্ড।

চিপেষ্ট দম্‌ দম্‌ নর্শরি হইতে

্ট

আভূবনচন্দ্র কর দার! প্রণীত প্রকাশিত।

০০০১০১০০০

কলিকাতা, বাথা জার ১৪৩ নু নব্-সারস্বত মন্ত্রে শ্রীউদয়চন্র ঘোষ দ্বারা মুত্রিত। নন ১২৯৯ আখিন।

মূল্য চারি ।* অনা।

বিজ্ঞ।পন।

ভগ্দীশ্বর প্রজাপতির কপার 'অতি স্বপ্লকাল মধ্যে কষি- প্রণালী দ্বিতীয় খণ্ড প্রচার ভ্ইল! এবারে বথাসাধয পরি- শ্রম, অথ বায় করিয়া সাঁরগর্ভ বিষষ সকল ইহ্াঁনে সন্ি- বেশীন্ত করিতে ত্রুটি করি নাই।* স্তাঁনে স্থানে বিদে শীয় কুষিপ্রণালীর সুনিয়ম আদ্যোপান্ত যথাযথ রূপে বণনা কর ভইয়াছে। বলা বাহুল্য, ইহার প্রথম খণ্ড পাঠ করিয়া অনেক নহাক্সা ষে ভাবে আমাদিগকে পত্র লিখিয়ছেন, তাহা অভীব আনন্দজনক, তাভাভে বিশেষ উৎসাহিত হইয়া দ্বিতীয় খণ্ত প্রচার করিতে সাহসিক হইলাম আমাদিগেন প্রতি সদা্ম' গ্রাহকগণ যেবপ দিন দিন অনুগ্রহ প্রকাশ করিতেছেন, ভরদা করি, ইভার তৃতীয় খণ্ড অচিরেই প্রকাশিত হইবে ! ইতি

হাতিয়াড়।। 1

আখিন, সন ১২৯৯। স্রীডুবনচন্দ্র কর।

বিষয় পঠা

হোয়।ইট ফ্যাট ডচ টারনিপ .. (শ্বেতবর্ণ সালগমের চাষ করিবার গ্রণালী)

টারনিপ রূটেড রেডিস্ রঃ (এও মূলার চাষ করিবার প্রণালী)

রেড ডচ ক্যাবেজ . “৭ ১৩ (লালবর্ণ বাধাকফিব চাষ করিবার প্রণালী)

ক্যাবেজ লেটাউজ (ছণলাদ চাষ করিবার প্রণালী)

অলি হরণ ক্যারট রে ৩৬ (হরিদ্রবর্ণ গাজরের চাষ করিবার প্রণালী)

ব, শ্প্রিএল পরিজ "৮? ৩৫ (নীলবর্ণ মটরের চার করিবার প্রণাল')

লাঁয়ম! বিন ১৭ ৫১ (লাঁয়দ। নামক সিমের চাঁর করিবার প্রণালী)

লার্জ লেট মাউন্টেন ক্যাবেজ -** ৫৯

(দেরিতে হইবার বুহৎ বাঁধাকফির চান প্রণলী)

কষ্ট, র্যাডিস্‌ ,.. (আঁমনে বড় মুলার চাষ কলিবান প্রণালী)

লার্জ রেড পাটন। অনিয়ন (লালবর্ণ বড় পাটনাই পিগ্াজের চাঁধ করিবার প্রণালী)

রাঙ্গী-আলু পি

(রংস্বা-সালুর চাষ করিবার প্রণীলী)

কৃষিপ্রণালী

দ্বিতীয় খণ্ড

গুরুদেব, পুজের বিবাহাদি কার্ধ্য সম্পন্ন করাইয়! শিষোর ৰাটাতে আসিয়া! উপস্থিত হইলেন। শিষ্য গুরুদেবের শ্রীচরণ দর্শন পাইয়া সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতঃ ভক্তিপুর্বক কহিলেন, গ্রভো ! শ্রীপাটের সমস্ত মঙ্গল ত? :

সরু |! বাপু! তোমাদিগের কল্যাখে এক রকম উপস্থিত সদস্তই মঙ্গল। এক্ষণে তোমরা কুশলে আছ ত?

শিশ্কা। আজ্ঞ। হা, আপনর শ্রীচরণপ্রসাদাৎ উপস্থিত আক্ষাদের সমন্তই মঙ্গল

গুরু প্রীমানের বিৰাহতে কেন যাওয়া হয় নাই বাপু!

শিব্য। সেঅপরাধ জামার মীর্ঞনা করিবেন আমি যাইবার জন্য বিশেষ উন্যোগী হইয়াছিলাম, কিন্ত আগার ছুরভাগ্যবশত: তাহ ঘটক! উঠে নাই, কারণ, শী ভারিবে আনার শ্ত্রীর কনিষ্ঠা ভগিনী'র গুভবিবাহের হটাৎ দিনস্থির হওগ়্ার, তাহাদিগের কথা রক্ষার জন্ত সেই স্থানে যাইতে বাঁধ্য হইয়াছিলাম। সুতরাং আপনার শ্রীমানের বিবাহ উপ্বলক্ষে যাইতে নী পারার বিনোদরে পাঠাইয়া দিয়াছি। এক্ষসে গুলকর্গ নির্কিত্ে সম্পন্ন হইয়াছে £

কষ প্রণালী!

গুরু হাঁ বাপু! শ্রীমান্‌ বাঁবাঙ্গীর শুভ বিবাহে কোন রূপ গে'নযোগ উপস্থিত হর নাই, কৃপায় এক রকম মান সম্ভ্রম সকল দিকে বজায় আছে।

শিষ্য তবে আপনি হস্তপদ প্রক্ষালন, ক্নানাদি করিয়া " সন্ধা পুজায় ব্রতী হউন।

গুরু। আচ্ছা, পুজাদির আয়োজন করাইয়া দাও

শিষ্য যে আজ্া।

এইরূপে গুরু শিষ্যে কথোপকথন হওয়ার পর, ক্রমশঃ সনস্ত কর্ম সম্পন্ন হইয়া গেল। গুরুদেব বলিলেন, বৎস! টা বে সকল কুবি বিষয় আলোচন। করিয়া গিয়াছিল[ম, তাহা কাধে পরিণত হইয়াছে ?

শিষা। আজ্ঞা হী, এক রকম হইয়াছে, আপনি একবার ক্ষেত্রে পদার্পণ করিয়া দৃষ্টিপাত করিলেই কতছুর হইয়াছে, তাহা বুঝিতে পারিবেন

গুরু আচ্ছা, সময়ানুসারে দেখিয়। আমিব।

শিষ্য। তবে আপনি অন্তান্ত ফসলের বিষষ থাহ। নলিবেন, বলিয় ছিলেন, তদ্দিষক্ব পুনর্ধার শুনিতে ইচ্ছা করি।

শুরু। পুবের্ঁযে সকল বিলাতি ফসলের কথা বলিয়াছি, তাঁহার মধ্যে আরও যেশুলি ধাকী আছে, আপাততঃ তন্মধ্যে এই এক রকমের কথা বলিতেছি।

তিক

কৃষি-প্রণাল্ম। প্রথম অধ্যায় »$াাাাা 71,871 701017 20, হোরাইট ফ্যাট টারনিপ। (সাদা সালগম )

* গুরু। ইহার বীজ্জ আফে্নিকা, ইংলগ্ এবং বঙ্গদেশে 'উংপন হয়। কিন্ত আমেরিকা না,উংলচগ্তর বীজের মুল বড় এবং খাইতে নরম স্ুক্নাছু। কি বনদেশের বীল্জে তজপ কল প[ওয়। যায় ন।। মূল ছোট চে' খাইতে অপেক্ষাকৃত শক্ত এেবং স্বাদও অনেকাংশে কম হয ই:!স জবপন করিতে হইলে বিশ্বা প্রতি ৪০ ভরি লাগে। পালি এবং বালি অংশ মাটীতে ইহার আবাদ ভালরপ্প হয়।

শিষ্য দেব ! হোরাইট ফ্যাট টারনিপের আবাদ যদি অন্ত গুকার মাটীতে করা যার, ভাহা হইলে তাহাতে কি কোন দোষ ঘটন্না থাকে ?

গুরু এমন কোন গুরুতর দোব ধু ০) বটে, কিস্ত'বেশ প্রমাণ পাঁওয়! যায় যে, বে সকল শাছনৰ মূল বুদ্ধিকর (অর্থীৎ "্পশন্ত ) তাহ। নরম মাটিতে সহন্দেই বুনে বড় হয়। আক শক্ত মাটার চাঁপেতে ততোধিক তেজ তে লা পারার কারণ, মূলগুলি ছোট ছোট হয়।

আ'র ইহার চাষের বাবা দে জমতে করিতে হইবে, হাতে ফান্তন বা চৈত্র মাসে প5 গোমর সার বা শ্ডেডির নাদি সার বিঘ। প্রতি ২৫ ঘমাঁণ ছড়াই়া ছিব] একবার চাষ দেও কর্তব্য। |

কষি-প্রণালী।

শিধ্য। প্রতো ! আপনি ছইটি সারের কখা উল্লেখ করি শ্লেন, কিন্তু উহাতে টরকান প্রকার, খই সার ধা আবশ্য নক না হইবার কারণ কি?

গুরু সালগমের ক্ষেত্রে খইল বাধহার করা কোর যতে' সঙ্গত নহে। কারণ, ক্ষেত্রে খইল ব্যবহার করিলে সালগম একটু বড় অবস্থার আকাশের জল বা সেঁচা জল পাইচুল, উহাকে ভবিষ্যতে পচা ধরিয়া নই করিতে পারে, সেই জন সালগমের ক্ষেত্রে খইল ব্যবহার করা একেবারে নিষেধ এবং পুর্বে বল! হুইক্সাছে যে, ফাল্বন, চৈত্র, বৈশাখ, জ্োষ্ঠ আধাঢ় এই পাঁচ মাস জমিচত প্রতি মাসে ছুই পক্ষ ছুই দিন দোয়ার অর্থাৎ চাঁরিবার চাষ দিতে হয়। ইহারও ক্ষেত্র ঠিক প্রণালীতে ফাস্গন হইতে আষাঢ় পর্ধ্ন্ত ক্রমশঃ চাস দিযা জমি ঠিক করিয়া রাখিতে হইবে পরে শ্রাবণ হইতে আশ্বিন এই তিন মাঁপ চাষ দিবার আবশ্যক নাই।

শিষ্য শ্রাবণ, ভাদ্র আশ্বিন এই তিন মাস চাক দিলে ভ্বাহাতে-কি হানি হয়? শুরু বর্ষার সমর ক্ষেত্রে চাষ দিঙ্গে তাহা! বিফল হয়, কারণ বর্ধার সময় জমি নিক্বতই কর্দম অবস্থায় খাকে। তক্াং লয় ক্ষেত্রে চাষ দিলে খাধ জঙ্গলের মূলদেশ কর্দমে জড়ীহী মিঃশেধিত হয় না; তজ্জন্ত, পর্ব হইতে শু সময় মাটী ছাফা অবস্থা ক্ষেত্রে চাষ দিয়া রাখিতে হইবে--তাঁহাতে খাসি নঙ্গসের মূলদেশ হৌদরে গুন্ধ হইলে) সময় মত বাছা, সা 'গারিক্ষীর করিয়া রাখা: উচিত : পরে: শ্রীবণ, ভাত্রি আখিন এই তিনামাঁষ উজসির চততর্দিকের ৬১

কৃষি-প্রণালী।

একটু দৃষ্টি রাখা আবশ্যক, কারণ কোন স্থানে আইল ভগ্ন থাকিলে নেই স্থান দিয়। জল বাহির হইয়! যাইতে পারে, এবং প্র জলের সহিত ক্ষেত্রের সার সকল বাহিরে যাইবার সম্ভাবনা

আর এক কথা--বর্ধার তিন মাস (অর্থাৎ যে সময় লাঙ্গল বন্ধ থাকিবে, সেই সময় ক্ষেত্রে ঘাস জঙ্গল যুহ!? উৎপন্ন হইবে তাহ! হস্ত দ্বারা সময় সময় উৎপাঁটন করতঃ, জমি গরিফার করিয়া রাখিতে হইবে। তৎপরে কার্তিক মাঁসের গ্রথম ক্ষেত্রে একখার চাষ দিয়া, দেখিতে, হইবে যে, জমির মনটীগুলি ঝরঝরে হইল কি না, যদি রীতিমত ঝরঝরে বীন্ব বপনের যে উহাতে না হওয়া দৃষ্ট হয়। তাহ হইঙ্সে, বিবেচনা পুর্ঘক যো না হওয়া দিন পর্য্যস্ত বীজ বপন বন্ধ রাখিতে হুইবে। যে দিবস ক্ষেত্রে বীজবপনের যো দুষ্ট হইবে, দিবস পুনর্বার ক্ষেত্রে পাতলা পাতলা একবার চাষ দিয়, পূর্বে যেরূপ ক্ষেত্র একদিকে ঢাল করিবার কথা বল! হুইয়াছে, তত্রপ করিতে হইবে। তৎপরে মই কি :কোঁদ্দাল দ্বার! ক্ষেত্র ঠিক করিয়! 'দেখিতে হইবে যে, ক্ষেত্রে কোনব্ধপ ঘসেরজড় আছে কি না, যদি তাহা বেশী পরিষাণে দৃষ্ট হয়, তাহা হইলে- দিন একপাল। ( অর্থাৎ একবার ) বিদ দিয়! ঘাসের জড়গুলি একত্রিত করিয়া জঙ্গি হইতে স্থানাস্তরে ফেলিয়া দিতে হইবে পরে প্রস্থে ২॥ হস্ত পরিমাণ ঢালের দিকে দীর্ধে দড়ি ধরিয়া অর্ধ হস্ত পরিসর এবং সিকি হস্ত উচ্চ আনপাঁশের মাঁটী কোদাল দ্বার! টাঠিয়া এক একটা আইল মত করিতে হইবে পরে উভয্ন .আইলের মধ্যস্থি ষে ২া.ছজ্য জঙ্গি থাকিবে, তাহার নাষ গপুটী অমিগ।

চি, কষি-গুণালী

এইরূপে সমস্ত আইলুলি বাঁধ! হইলে, দেখিতে হইৰে যে, মোট কতগুলি পঁটী হইল। যে কয়েকটী পটী. হইবে, ৪* ভরি বীজ & কয়েকটা অংশ করিয়া এক একটি পটাতে সম- ভাবে-্ছড়াইয়া দিতে হইবে বীজগুলি বপন কর! হইলে, প্র পটী জমি কোদ,ল ত্বারা উপর উপর কোপাইয়া পরক্ষণেই ভস্ত বা কোন কাষ্ঠ ঘারা সমস্ত মাটা সমান করিয়া দিতে হইবে।

শিষ্য। বীজগ্তপি বপন করিয়া পটা অমি না কোপাইলেশ জাহাতে কি দোষস্ঘটে-?

গুরু। বীক্জগ্ুপি বপন করিয়া ৫৬ অঙ্গুলি মাটা গভীর করিয়া কোৌপাইলে, বীজগুলি অল্প মাঁটার ভিতর যায়, সুভরা তীহাতে ভবিষ্যতে সমধিক ফল পাইবার আশা থাকে

শিষ্য প্রভো !। একটা কথা আপনাকে নিবেদন করি, শ্বেকোন বীজ বপন কর] হউক না কেন, তৎসমন্তই কি বেশী সাটীর ভিতর দেওয়ার আবশ্যক হয় ? |

গুরু নাপাপু! কোন কোন প্রকার বীজ বপন করিস এ&ঁ রূপে মাটার নীচে দিতে হয়। (অর্থাৎ থে সকল উদ্ভিজ্জের মূলদেশ প্রশস্ত হইবে, তাহাদিগের বীজ প্রণালীত্তে বপন কর! বিধেয়, সেই জন্ত, মূলা, সালগম, বিট, গাজর, ভ্যাঁস- পারাগস্। লিক ইত্যাদির আবাদ করিতে হইলে, জমিতে গভির ভাবে লংদল দিতে হাঃ এবং বীধও রূপে বগন করিতে হয়।

এইরপে বীজ বপন করা হইলে, রানির হইয়া) শচদিন অস্তে চারা সকলের ২টি পাতা দৃষ্টি হয়। তৎপরে কবে পাতা বুটিযা ৪টি পাতা দুষ্ট হইলে, প্র জমির 'মাস্থিলি

কৃষি-প্রণালী।

নিড়ান দ্বারা নিড়াইয়া দেওয়া! আবশ্যক যখন ঘাস নিড়া- ইতে হইবে, তখন পটী জমিতে না বসিয়া কথিত আইলের উপর বসির হস্ত প্রসারণ পূর্বক সমস্ত ঘাস নিড়াইয়া দিতে হইবে।

শিষ্য পটা জমির উপর বসিয়া ঘাঁস নিড়াইলে তাহাতে কি দোষ ঘটে ?

* শুরু দোষ ঘটে বই কি! মন্থুয্যের পাঁয়ের চাপে মাটা বপিয়। ষাঁয়, এবং অসাবধানত! বশতঃ গাছের উপর পা পড়িলে চাঁর৷ ভাঙগ্গিয়! যাইতে পারে

শিষ্য। দেব! আর একটি কথা জানিতে ইচ্ছা করি; সালগমের বীজ পট জমিতে ন। বুনিয়া হাঁপরে বুনিয়! চারা করিয়া সেই চারা ক্ষেত্রে বপন করিলে হয় কি নাঁ?

শুরু না বাপু ! তাহাতে ভাল হয় না, মূলগুলি ছোট হয়। একেবারে মুলার ন্যায় ভূ ইফোঁড় চার! হইলে, মুলগুলি প্রশস্ত হয় |

পরে, চারাগুলির ৮/১*পাঁতা! দুই হইলে, পুনর্ব্ধার জমির সমস্ত ঘাপ নিড়াইকা দিতে হইবে। আর দ্বাস নিড়াইবার সময় সমস্ত ক্ষেত্র নিভান দ্বারা খুসিয়া দিয়া পরে দেখিতে হইবে যে, ক্ষেত্রের যো নরম আছে কি টানিয়া খরবৃত হইয়া! যাইতেছে, এবং গাছ সকলের গোড়ায় শুটি ধরিবার উপক্রম হইতেছে কি না। হদি রূপদৃষ্ট হয়, তাহা হইলে, একবাঁর জল দিন করা নিতান্তই আবশ্যক। জল .সিঞ্চনের ৫1॥ দিন পরে ক্ষেত্র সমস্ত লিড়ান-স্বার! খুচিন্বা মির যে কণিয়া . দেওয়া বিধি আাছে। পরে” *উ' জি খুঁড়ি,

কষি-প্রণালী।

যো বীধিয়া দেওয়! হইলে, দিন দিন সাঁলগম বৃদ্ধি হইয়া থাকে। আর মধ্যে মধ্যে গাছের পাকা বা পচা পাতা, গুলির প্রতি বিশেষ দুটি রাখা উচিত, কারণ পাকা পচ! পাতাগুলি হাতে হাঁতে ক্ষেত্র হইতে স্থানান্তরিত না করিলে সালগম মূলের পক্ষে বিশেষ হানিকর হইয়া পড়ে।

শিষ্য। উহাতে কিরূপ হানি হয়, ভাঁহা বিশেষ করিয়া বনুন। *

ঞঁ পাকা পাতা পচিযা সালগমের গানে সংলগ্ন

হইলে, সমস্ত সাঁলগষ পচিয়া নষ্ট হইতে পারে। আর এক কথা] যে েত্রে সালগমের আবাদ করিবে, তাহার আসপাশে দিকটবর্তী যেন; কোন জাতি দেশী বা বিলাঁতী মূলার আবাদ না করা হয়

শিষ্য। জালগম ক্ষেত্রের পার্থে মূলার আবাদ করিলে, তাহাতে কি দোষ হয়?

গুরু তাহাতে দোষ হয় এই যে, মুলাগাছে আপন! হইতে এক রকম পৌঁকা জন্ষিয়া থাকে। যদিও প্ী পোকা মূলাগাছে জন্বিয়া থাঁকে বটে, কিন্তু মূলার বিশেষ অনিষ্ট করিতে পারে না। এত পৌঁক! সীলগম ক্ষেত্রে আসিলে সাঁলগমের বিশেষ অনিষ্ট করিয়া ফেলে

শিষ্য) সাঁলগষ ব্যবহ্ারোপিযোগী হইল ক্ষি.না, কিরূপে দান যাইবে ?

গুরু ৮» তাহ! আনিবার আবশ্যক নাই, কারণ, সালগমের গুটাধরা সর্নয় হইতে শেষ পর্য্যস্ত ব্যবহার হইয়া খাকে উহা কছি পাকার নী আত্াপুন

কৃষপ্রণালী।

আর এক কথা,--ইহার আবাদ প্রণীলী ২5 রক আছে, তাহা অন্য সময়ে বলিব। এক্ষণে টরলিপ রূাটেড রেডিপের কথ! বলি গুন। ইতি প্রথম অধ্যায়।

উকি

দ্বিতীয় অধ্যায়। ঘণ্াইমা 20011) 8./টাথায,

টারনিপ রূটেড রেডিল। ' ( এক্ডামূলা ) ইহার বীজ ইংলও আমেরিকাতে জন্মিয়! থাকে, আবাপ গ্রণালী অতি সহক্গ, প্রা বার মাপ করিতে পার! যার, এবং সকল রকম মাটাতেই ইহার আবাদ হয়। কেৰল অতি কঠিন পাতুরে এ'টেল মাটাতে ভালরূপ জন্মে না। এক বিধা জমিহত ১৫০ শত ভরি বীজের 'াবশ্যক হইয়া থাকে ইহার আবাদ করিষ্ে হইলে বৈশাখ মাসে জমি নির্বাচন করিয়া একবার কি ছুইধার চাষ দিয়া প্রতি বিধায় পচা গোমগ় বার তিন গালি ভেড়ির নাদি সার দিতে হইলে ছুই গাড়ি দিতে হয্ব। ক্ষেত্র সার. ছড়াইয়! দেশুয়া হইলে, জ্যেষ্ঠ মাহার প্রথসে উহাতে ২৩ বার চাষ দিয়া, ক্ষেত্রের সমস্ত ঘাস নষ্ট করিয়া রাখা উচিত। 'পরে আঁষাড় মাসে জমিতে , একবার ক্ষি ছুইবার চাধদিয়! বন্ধ' রাঁখিতে হইবে? . পুর্বে বলা! ইইয়াছে যে, শ্রাবণ বাড মাসে উদিত. চাষ. দিলে

ক্ষ-প্রণালা।

কোন উপকার পাওয়! যায় না, কিন্ত সময় জমিতে যে সকল ঘ্বাস জঙ্গল উৎপন্ন হইবে, তাহা হস্ত দ্বারা তুলিয়া বা নিড়ানের দ্বারা নিড়াইয়! পরিফার করিয়া রাখা আবশ্যক। আর এক কখাএই,--বধীর সময় জমির ভাঙ্গা আইল+*দিয়া জল বহির্গত ন! হইয়া যাঁর, কারণ জলের সহিত সার সকল ধোঁত হইক্জা যাইতে পারে. সেই জন্য পুর্বব হইতে সতর্ক হওয়া উচিত ততৎপরে, কার্তিক মাঁসের প্রথমে & জমিতে একবার .কি ছইবার ব! তিনবার চাষ দিরা এক দিকে ঢাল করিতে হইবে | এবং ঢালের দিকে ল্ঘ! করিয়া বাঁ ২॥ হস্ত অন্তর অন্তর, অর্ধহস্ত পরিসর এবং সিকি হস্ত উচ্চ এক একটী আইলের মত করিতে হইবে সমস্ত আইল রূপে বাধা হইলে উভয় 'আইলের মধ্যস্থিত যে পটী জমি থাকিবে, তাহ! কোদাল দ্বারা একবার কোপাইফ। জমির অনিষ্টকর ঘাসের জড়, ইট, খোল! খাবরা যাহা কিছু'থাকে, সেই সমস্ত উন্তমবপে বাছিয়া পরিফার করতঃ কথিত ১৫০ ভুরি বীজ সমভতর্ব বপন করিতে হুইবে। নীজ বপনের পরক্ষণেই নিড়াঁন দ্বার! পটা জমি সমস্ত 'পাতলা পাতলা খুঁজিয়া দিতে হইবে এবং একটি পটী জমি যেমন থেশচান শেষ হইবে) তৎক্ষণাৎ বাখ। আইলে উপর বসিয়া হস্ত ধারা মাটাগুলি' সমান করিয়া -দতে হইবে। জমির যো অর্থাৎ রব বিবেচর্নায জমিতে বাজ বপন করা কর্তীব্য। শিষা। জমির রস কিব্ধপে বুঝ। যাইবে ? সুক্ষ | জবির রুম কতক নবরেও ধরা যাইতে পারে। ভার পরীক্ষা করিলেও ঠিক, ধরা যায়।

কষি-প্রণালী ১১

শিষ্য হস্ত দ্বারা কি রূপে পরীক্ষা, করিতে হইবৈ, তাহা বিশেষ করিয়া বলুন গুরু। হৃস্ত দ্বারা পরীক্ষা করিতে হইলে, প্রথমতঃ ক্ষেত্রের ,মাটা এক ফুঝ্ঠা হন্তে লইরা বারম্বার মুঠা আঁটিয়। খুলিয়! দেখিতে হইবে যে, মাটাগুলি সুঠাঁর ভিতর সহজেই জমাট বাধিস্বা যায় কিনা, যদি রূপদৃষ্ট হয়, তাহা! হইলে, সে ্িবসও বীজ বপন বন্ধ রাখিতে হইবে। আর মুঠা খুলিলে মাঁটা ঘদি জমাট না বাধিয়! ছড়াইয়ী পড়ে, তাহা! হইলে সেই সময়ে বীজ বপনের যো হইয়াছে, ইহা নিশ্চয় জান1 যাঁইবে। পরে ৩৪দিন বাদে বীজসকল অস্কুরিত হইয়া চারা বাহির হইলে, যখন চার! ৪1৫ পাত! দৃষ্ট হইবে, সেই সময় ক্ষেত্রের ঘাস সকল নিড়াঁন দ্বারা নিড়াইয়! পরিকর করা! উচিত। বীজ বপনের দিন হইতে ছুই পক্ষ গত হইলে ওঁ এগ্ডামূলী গুটি বাঁধিয়!' খাদ্যোপষেগী হইয়া উঠে। সেইজন্য পূর্বে বলিয়াছি, এক্ষণেও বলিতেছি যে, এগুাঁমূলার আবাদ করা অতি সহজ। পরন্ধ প্েগাসুলার গুটি ধরিলেই ক্ষেত্রে একবার জল সিঞ্চন করিলে ভাঁল হযর়। শিষ্য এঙাঁমুলাঁর আবাদে জল দিঞ্ান না তি কি চলিতে পারে ? গুরু হা বাপু! এগুামূলার চাষে জল ন? দিলেও চলে। তবে জমির অবস্থান্থসারে অর্থাৎ মাটী -গক্ষ বা নিরস. রোধ হইলে, একবার অল পিঞ্চন করা আবশ্যক . শিষ্য এগ্ডামুলার আবাঁদে জলসিঞ্চন না করিলে, বিশেষ ক্কোন হানি হয় নাঁ, কিন্ত জলনিঞ্চন, করিলেপকি হানি হয়? ,

১২ কষ-প্রণালী খরু। তাঁহার কোন নিশ্চয় নাই বাপু! তবে মাটা বিবেচনায় হানি হইতে পারে। শিষ্য। তবে মাটার ব্যিয়টি বিশেষ করিয়া বলুন গুরু যদি বালি অংশ মাটীতে এগাঁমূলার আবাদ করা যায়) তাহাতে জল সিঞ্চন করিলে, বিশেষ উপকার হয়, কারণ ৰালি মাটীতে জল অল্প সময় স্থায়ী হয়, অপর মাঁটীর জল অধিক সময় স্থীয় হইয়া মূলগুলিকে প্রশস্ত করিয়া তোলে, সে কারণ সু লর অন্তর্দেশে ফীঁপ ধরিয়ী নিরস হয়, স্ুক্গাং 'মূলার তীক্ষত। ণটুকু সহজেই দূরীভূত হইয়া খায়। তজ্জন্ত এগায্লার খাবাদে বিশেষ জলের আবশ্যক ন1 হইলে, জল সিঞ্চন কর! বিষে নহে। এইরূপে আবাদ করিলে, দেড় মাসের মধ্যে এগডাষুলা খীদ্যেপিষোগী হয়। এক বিঘ! জষ্ষি চাঁধ করিলে, খরচ! বার্দে /** শক্ত টাক! লাত হইবার সম্ভাবন!। শিক্ষ্য প্রো! এগুাঁমূল কি অবস্থায় ব্যবহার করিতে হয়? শুরু। ভাহার কোন নিরূপণ নাই, কারণ, কচি পুরু উভয়ই ব্যবহার হইয়া থাকে। ইহার কণবাদ এ্ণালী অন্ত প্রকার ফাহা আছে, ভ্কাহা! সহক্কার্সংরে বলিব | এক্ষণে লাল কফির কথা বলি, গুন.

ইতি দ্বিতীয় অধ্যায়।'

চর - মে ছি

্‌

কষি-প্রণ।লী। ১৩

তৃতীয় অধ্যায়

121) 10017 043734017. রেড ডচ. ক্যাবেজ (লাল বাধা কফি)

০গুকু। ইহার বীজ প্রবেশে জন্মে না। ইহ!র চাঁষ করিন্ধে হইলে বিঘা প্রতি ৬ভুরি বীজ ব্যবহার হইয়া থাকে ছো-আাশ- পলি মাটাতে লাল কফির আবাদ ভাল হঙ্গ, এবং চাঁষ করিতে হইলে বিথা প্রতি সরিষা, তিপি তিলের খইল ১২ [নাঁণ এবং রেড়ির খইল হইলে ১* মোণ ব্যবহার করিতে হয।

শিব্য। রেড়ির খইল বাবহার করিবার নিয়ম উহ! অপেক্ষা কম হইল কেন?

ওক অনান্য খইল 'অপেক্ষ1! ব্লেডিত্র গইলের তীক্ষতা গুণ ভানেকাংশে বেশী, সুতরাং উন অল্প পরিমাণে বাবহাঁর করা উচিত। |

শিবা যদি অন্যান্য খইল অপেক্ষা রেড়ির খইল তেঞক্কর হইল, তষে যে কোন ফসলেই হউক না কেন, ব্য হার করা যাইন্ে পারে!

গুন্ক। নাবাপু!সে উদ্গেগ্ত কৰিরা বলি নাই। বস্তহঃ রেড়ির খইল বে, সার শ্রেণীর মধ্যে, প্রধানতম সার, তাহা আর বিশেষ করিয়া বলিতে হইবে না। ধীহার] কবিকার্যোর বেশ বনুসদ্ধি গু এবং স্বপ্নং ক্ষেত্রে উপস্থিত থাকিয়া রেড়ির খই ক্ষেত্রে কি কোন উদ্ভিজ্ঞাদিতে ব্যবহার করাইস্াহছুন,ঠাহা রাই,

১৪ কষি-প্রণালী।

ইহার রখ ভাল ক্ষপে উপলদ্ধি করিতে পারিয়াছেন, নতুবা! তুমি বে উদ্দেশ্য করিয়া ভ্রমে পতিত হইয়াছ সাধারণের তাহাই সংস্কার। ভজ্জন্ত তোমার ভ্রম তক্ষ করিবার নিষিক্ত বলিতেছি ষে, সকল উদ্ভিজ্জের পক্ষে রেড়ির খইল ব্যবহার করা সঙ্গত নহে, কারণ, রেড়ির খইল স্বাভাবিক তীক্ষতা গু? ৰশতঃ হটাৎ তেজ করিয়া! ছোট ছোট উদ্ধিজ গুলিকে বিনষ্ট করিয়া ক্েলে। অতএব রেড়িত্ব খইল যখন যে ফর্সন্গে ব্যবহার করিতে হইবে, লেই সময় একটু সতর্ক হওয়া উচিভ 1 ফল কথা এই ষে,--বেসক্কলল কচি উদ্ভিচ্ধ অল্পদিন স্থায়ী হয়, তাহাদিগের পক্ষে রেড়ির খইল তত উপকারী নহে। বলা বাহুলা, অল্পবয়স্ক চারাগুলি ব্রেডির খইলের তেজে মরিজ়া বাব। শিষ্া। তবে বেণী দিন স্বার়ী অথবা ষে সকল গ্রান্ সত পেক্ষাককত বড় তাহ।দেরই পক্ষেকি রেড়ির খইল উপকারী হর? গুরু হাবাপু! শিষ্য তবে লালককি সম্থন্ধে অন্যান্য বিষয় বাহ! আঅবগন্ত আছেন, তাহ! বলুন গুরু (লাল কফির চাঁষকরিতে হইলে, জমির সময়মত চাঁষ দেওয়া, চাল মানাল, ভাড়াবাধা, খইল পোতা, চার! প্রস্ততের জন্ত হাপর* তৈষারী করা, ৰীন্ধ বপন, এবং চারা প্রতিপালন, জমি ঠিক করা, চার! উত্বোন রোপণ) তাহাতে জিউনন জল দেওয়া, চারার গোড়া পাইট, জলসিঞ্চন, ভীড়া ভাঙ্গিয়া গাছের গোড়ায় উল্টা ভাড়া বীখিষ্! দে ওয়া) ২য় বার ছোপ খইল দেওয়া

কৃষি-প্রণাঁলী | [১৫

জমির কারিকিত ইত্যাদি পুর্ববোক্ত ডুমহেড কক্ষির চাষের শ্তায় করিতে হুইবে। কিন্তু বাধাকফি কি অপর অপর বকির আবাদ এবং জমির কারিকিত করিবার সমর (অর্থাৎ "নিয়মিত দিনের কিছু অগ্রপশ্চাৎ হুইুল) যেমন বিশেষ হানি হইয়! পড়ে, ইহাতে তদ্রপ দেখা যায় না, এতদ্বতীত ইহার আরও একটা প্রধান গুণ দেখা যায় যে, অন্তান্য কফি অপেক্ষা লিড বেশী দিন স্তারী হত, এবং কফি সকল নিঃশেবিত হওয়ার পর ইহাঁঞ্ষে অতিক্িক্ত ছুই এক মাস রাঁখিলে আন্বাদনের ভফাৎ কি অন্য কোনরূপ হানি হয় না। শিষ্য মহাশয় ! তবে ইহার চাষ অন্য সময়ে করিলেও ভাল হয়! গুরু বারমেসে কফি ভিন্ন অপর কোন কফির চাঁৰ হেমস্ত শীত থতু ব্যতীত হয় না, কাঁরণ, সময় অজত্র শিশির পড়ে বলিয়া কফির পক্ষে বথেঞ্ট উপকার ইয়। আঅন্তাঁন্য সমক্ষ চাঁন প্রস্তত হুইয়! কোন প্রকারে বড় হইলেও তাল বাঁধিয়া খাদ্যোপযোগী হয় ন। সুতরাং দেশের হৈমন্তিক ফসলে সহিত কফিসমূহকে তুলনা করিলে করা যাইতে গারে। শিক্কায। প্রভো ! এই কফির চার! আষাঢ় মাসে না করিয়া যদি জ্যষ্ঠ মাসে কিম্বা আরাবণ মাসে করা যায়, ত.হা কি হইতে পারে না? গুরু। পুর্বে সত্ঘম্বীয় কথ। কোন সময়ে উল্লেখ করিষা- ছিলান, বোধ হয় তাহ! তুমি বিশ্মরণ হইয়াঁছ। সকল বুৎসরের কথা বলা যার না,.কারণ, বৎসরের মধ্যে ছয় গতর পরিবর্তন হু থাকে, সুতরাং বেখতুতে বেফস ভালরগে উৎপর হইঝে,

১৬ ক'য-প্রণালী

ক্তাহা বিবেচনা! পুর্থক করিতে হম্। কোন কোন বংপর এন্প দেখ যান যে বর্ষা কিছু জ্যাঠ অর্থাৎ অগ্রে আরন্ত হইন। শেষে শ্রাবণ মাস পরান্ত থাকে, আর চোন কোন বহদৰ শ্রাবণ মাস হইতে আর্ত হইগ্ন। আশ্বিন মাস পর্যন্ত থাকে, সুতরাং বর্ধী ভিনোহিত না হইলে হেমন্তের আগমন হইতে পারে না, সেই জন্য বর্ধার তিন মাসের মধ্য চা প্রদ্থাত। করিয়া হেমন্তের প্রারস্তে জমিতে রোপণ করিতে হইবে ভাঁভ। হইলে রীতিমত কার্য হই ক্স থক

শিধ্য। তবে ঘে মাসে যে যে ফসল করিতে হইবে, আপনি যে, বার মাসের তালিকায় অবধারিত করিয়াছেন, তাহ অসঙ্গত নাকি ?

গুরু বার মাসের তালিকায় যাহা লিখিত হইরাছে, তাহা অসঙ্গত নহে, তখিষয়ে অনেক বিবেচনা করিয়া সমন স্থির কর! হইয়াছে।

আর এক কথা,_-লাঁল ককি ইংরাদেরা বড় পসন্দ কল্পে, বস্ততঃ দেখিতে বেশ সুন্দর এবং উহ।তে “জেলি” তৈজ্ারী ভয়। আর গ্রীশ্ম পড়িলে অন্ঠান্ত বাঁধাকফিতে বেমন অন্য কূপ গন্ধ উৎপন্ন হয়, তদ্রুপ ইহাতে দেখা যায় না। ইহার অন্ত রকম আনাদ লদক্ষানুলারে বলিব।

শিষা। দেব! আপন যেসফপ বিলাতি ফপশের বিষঙ্গ বর্ন করিতেন, তৎদমন্ত শ্রুত তয়াপতে পরম শ্রীতি লাভ করি- লাম। «থে বিষয় বত প্রীতিকর, ততই তাহ] বাঞ্চনীয়। অতএব অন্য রকম বিলাতি ফসলের বিবয় যাহা অবগত" অ'ছেন তলিষগ্ন ধর্ণন করিয়া আমার উত্সাহ বর্ধন করুন। রঃ

কষ্-প্রণালী। ১৭

গুরু। তবে আর একরকম বিলাভী ''ক্যাবেজ লেচিইউসের"

কথা বলি শুন। শিষ্য “ক্যাবেজ লেটিইউস” কি প্রকার ?

গুরু। উহা এক প্রকার শাকের মধ্যে পরিগণিত, কিন্ত দেখিতে ঠিক কফির ন্যায়। শিক্য। উহার আবাদ কি রূপে করিতে হয় প্রতে1!

ইতি তৃতীয় অধ্যাঁয়।

চতুর্থ অধ্যায়। 0073/১017 1,708:

ক্যাবেজ লেটাইউস | ( কফির ম্যায় ছালাদ')

গুরু এই ছাঁলাদের বীজ সকল স্থানেই উৎপন্ন হইয়া থাকে, স্কান বিশেষে ফসলের রূপান্তর দেখিতে পাওয়া যাঁর়। ইহার চাঁষ করিতে হইলে, বিদ্বা প্রতি ভরি বী্ঘ আবশ্যক হুইয়। ধাক্কে) কিন্ত জমি বিবেচনায় ৬৭ ভরি লাঁগিবার সম্ভাবনা ছলাদসন্বন্ধে টাষের ব্যবস্থা করিতে হইলে, বালিনবংশ দো এবং “বারমেসে জমিতে" করিলে ভাল হর।

শিষ্য “বারমেসে জমি” কিরূপ কাহাঁকে বলে, হাছা জন পূর্বক বিস্তারিত দ্ধপে বুঝাইয়] বলুন? .

১৮ কষি-প্রণালী

গুরু থে জমিতে বতসরাবধি কোন ফদল তৈরারী না করিয়! প্রতিষাঁসে ২০৪ বার লাঙ্গল দিয়া! জমির ঘাস মারিয়! পরিক্ষার রাখা হয়, উহাকে সাধারণতঃ «বারমেসে জমি” বলিক! উল্লেখ হয়। চাঁষের জন্ঠ জমি নির্বাচন হইলে, ফাস্তন বা চৈত্র মাঁসে বি! প্রতি চার গাড়ি অর্থাৎ ৪* মোণ পচ! গোময় ৰা ভেক্তির নাঁদী সার ৩. মোঁণ ক্ষেত্রে ছড়ায় লাঙ্গল দিতে হইৰে, আর খইল সার দিতে হইলে অধাঢ় মাসে সরিষা বা তিসির, খইল ১২ মোণ দেওয়া কর্তব্য। তত্পরে ২৩৪ ৰাঁর রীতিমত লাঙ্গল দ্বারা চাঁষ দিয়া পাতলা পাতলা একৰ'র «এককেড়ে” মই দিয়া ক্ষান্ত থাঁকা উচিত।

শিষ্য পাতলা পাঁতঙা “এককেড়ে” মই দেওয়া কিরূপ ? তাহ বুঝিতে পারিলাম না।

ওরু। জমিতে মই দিবার ছুই প্রকার নিয়ম আছে, এক শ্রকার নিয়ম, _বীজবপনের পর যে মই দিতে হয, সই মইয়ের উপর ছুই জন লোক উঠিয়া মই দিতে হুইবে। এবং প্র মই একবাঁর দিয়া পুনর্কার পাল্টা করিয়! দিলে তাহাতে মাটী ভালক্মপ চাঁপিয়া বসে। ্রক্বপ আই দেওয়াকে সাধারখে দ্বোকেড়ে মই দেওয়া বলে। আর হে জমিতে বীজ বপন করা! হয় নাই, কেবল জমির ষো মাত্র ঢাক! দিবার জন্ত ষদি মই দেওয়ার আবশ্যক হয়, তাহা হইলে, অপেক্ষাকৃত ছাট একখাঁনি মই লইয়া, তাহার উপর এক জন কোক 'উঠিয়! একবার ঘোরাইয়! ফেরাইয়া ছাড়িয়া দিলে উহাকে সাধারণে “এককেড়ে" মই দেওয়| বলে। & জমিতে শ্রাবস, ভাত্র আশ্বিন এই ভিন (মাস

কষি-প্রণালী। ১৯

চাষ দেওয়ার আবশ্যক না হওয়াতে, ছ্বাস জঙ্কল ঘদি তাহাতে উৎপন্ন হয়, তাহা হইলে একবার নিড়ান ছারা নিড়াইয়! দিতে হইবে। পরে কফির বাজ বপনের জন্য ষে, '১ম হাঁপর তৈয়ারী কর! হইয়াছিল, তাহা! অনর্থক পড়িয়! আছে, কথা আমি (পূর্বেও বলিস রাখিয়াছি, এক্ষপেও বলি তেছি) উক্ত হাঁপরটি কার্তিক মাসের প্রথম আচ্ছাদিত করিয়া হাটি কোদালদ্বার৷ উপর উপর (অর্থাৎ ৫1৬ অঙ্গুলি গভীরতা য়) একবার কোপাইয়া গলাটাগুলি পূর্বের স্তায় হন্তদ্বার। গুড়া করিয়া বেশ সমান ভাবে চারাইয়। দ্রিতে হইবে। পরে, উহাতে কথিত ভরি বীজ বূপন করতঃ হস্তদ্বার! উত্তমরূপে মাঁটাগুলি চাপিয়া তনোপরে সামান্ত গুড়া মটী ছড়াইয়! বীজ গুলিকে ঢাক] দেওয়া আবশ্যক

শিষ্য। অপর অপর কফি প্রভৃতির বীজ বপনের সময় সাঁটী চাপিয়া দেওয়ার কথা কিছু উল্লেখ করেন নাই, এইট ছাঁলাদের বাঁ বপনের সময় মাটী চাপিয়! দিতে হইবে কেন?

গুক। কেবল ছাঁলাঁদের বীজ ন্পনের সময় কেন, থে সকল বীজ ছালাদের স্তাঁয় হাঁক! তৎসমন্তই বীজের উপর নিয়ম বন্তিতে পারে, কারণ হাক্কাঁ বীজ সকল হটাৎ মাঁটাত্ব সহিত লিপ্ত হয় না, তাঁহাঁতে আবার জলসিঞ্চন করিলে বীজগুলি সমস্ত সহসা স্থানান্তরিত হইন্না! পড়ে, স্থতরাং সরিয়। যাঁইলে বীজ গুলি অস্ুরিত হইবার পক্ষে ব্যাধাত জন্মে। তাই বলিতেছি যে, এই কর্থাটি স্মরণ রাখি, [হাঁক্কা বীজগ্ুপি বপন ক্ষরিয়া হস্ত বা! পদদ্থারা হাঁপরের মাঁচীগুলি ঘেন চাঁপিরা দেওয়া হয় )।

২৯ . কষি-প্রণলা

বু

শিষা। প্রভো! যেদ্রপে ইহার চারা তৈয়ারী করিতে হইবে, তদ্দিষয় কথঞ্চিং হৃদযন্্রম করিয়াছি, কিন্তু গর প্রণালীসস্য বীজ বপন না করিয়া, একেবারে ক্ষেত্রে বীজ বপন করিয়া আবাদ করিতে হইলে, কিবপ নিয়মে করা উচিত £

গুরু ছালাদের চাষ করিবার ২৩ রকম প্রণাী আছে। তাহ। সময়ান্ুপারে বিশেষ করিয়া বলিব। এক্ষণে সাধারণতঃ যাহাতে হটাঁৎ, কোন ক্ষতি হবার আশঙ্কা নাই, তাহাই বলিতেছি।

প্রথমতঃ, হাঁপরে বীজ বপন ন। করিক্বা একেবারে শ্ষেছ্ছে বপন করিলেও, ছালাদের চাষ হইয়া থাকে, কিন্ত উহান্ধে প্রকার দোষ ঘটে।

শিষ্য। কিকি দোষ গ্রভো!

শুকু। একটি দোষ এইযে, বীঙ্জ বেশী পরিমাণে এন কি চতুখুণ বপন করিতে হয়্। আর এক দোষ এই ষে, পীপিলিকা ইহার একটি প্রধান শত্রু, উহ্াঙ্গা এক ঘণ্টার মধ্যে ক্ষেত্রে সমবেত হইয়া বীজসমস্ত খাইয়া! ফেলে, তাহার প্রদ্ধি- কার করা ক্ষেত্রে তন্ত সুবিধা হন্ন না; হাপরে পীপিলিক' ধরিলে অন্ন স্থান বলিম্না সর্ধদাই তাহার প্রতিকার কর! বাইতে পায়ে। তঞ্জন্ত হাপরে বীদ বপন করিয়। চার! প্রস্তত্ করিলে ভাল হন '

যে দিকপু ছালাদের বীঞ্জ বপন করিতে হইবে, সেই পিবম হাপরক্ষেত্রে জল ব্যবহার করিবার আবশুক লাই। পন দিবন অপরাহ্ন সামান্ত দল দিতে হইবে। ছাদের বীজ রি হইসে 81৬ দিব্ন'লাপিবার সস্ভাবন1। /

কৃ'্ষ-প্রণালী। ২১

শিষা। গুভে!! আপনি বলিলেন ষে, হাপরে গীপ্রিলিকা। ধরিলে তাহার প্রভীকার করা যায়, তাহা কিন্পে করিছে হই ?

গু চারা অস্কুরিত না হওল্া পধাস্থ এমন সতর্ক ভনে গাকিতে হইবে যে, হাপরক্ষেত্রে পীপিলিকা গ্রবেশ না করে, 1৪টি দৃষ্টি হয়, ততক্ষণাহ হাপতের চতুদদিকে কোনরূপ কাঠের ছাই গুড় করির। সরু অর্থাৎ ৪।+ অঙ্গুলি পরিসর এনং উন্চ আইল বাধিশ্ব! দিতে হইবে, শ্তাহাতেও যদি নিবুন্তি না হন, তাহা হইলে একট ঝুনা নারিকেল ভাঙ্গিয়া ২৩৪ খানি করতঃ হাপরক্ষেত্রে স্থান বিবেচনায় রাখিয়া! দিতে হইবে, তাহা হইলে, নারিকেলের স্রাণ পাইয়। পীপিলিকাগুলি দ্রুত গতিতে আসিগা নারিকেলে প্রবৃষ্ট হয়| ক্রমে ক্রমে যখন সমস্ত পীপিলিকা আসিয়া নারিকেলে প্রবৃষ্ট হইবে. সেই সময় মাঁললা বা হাড়িতে আগ্তন করিয়া আগুনের উপর নারিকেল নিক্ষেপ করতঃ পীপিলিকাগুলিক্কে মারিয়া! ফেলিচে হইবে এইব্ূপ ২1৩ ঘন্ট। করিলে সমস্ত পীপিলিকা নিঃশেষিত হই যান্ন। এই বাপু পীপিলিকা নিবারণের উপায় কৌশল। এক্ষণে বীজসবব্বীয় মার কিছু বলি গুন, হাঁপরক্ষেত্রে যে সমতব বীজ বপন করিতে হইনে, এমন ভাবে পাঁতলা করিয়া বপন করিতে হইবে যে, যেন দীর্ধে গ্রন্থে ছুই অঙ্গুলি অন্তর অন্তর এক'একট বীজ পড়ে।

শিষ্য। অপর কফি অপেক্ষা ইহার বীঙ্গ পাতলা বপন করিবার কারণ কি?

শুরু! অপর বীজ ১ম হাপরে অগ্রিত "হইয়া! চার”

২২ কষি-প্রণ।লী।

গ্রনব করিলে ২য় হাপরে পাতলা ভাবে যেমন নাড়িত্রা বস।ইতে হয়, সেরূপ ইহার চারাকে আর নান্ডিযা বসাইচ্চে হয় না। বস্ততঃ ছালাদের বীজ বপন কাল্পে পাতলাভাবে ৰপন করিলে, সহজে চারা প্রস্থহ হইয়া থাকে।

শিষা। অপর কফির বীজের ভ্ভায় ইহার বীজ ঘন ভালে বপন করিয়া, তাহাতে চারা বাহির হইলে, দেই চারা যদ দ্বিতীন্ন বার হাপরে রোপশ করা বার তাহাতে কি কোন অনিষ্ট হর?

গুরু চারা গুলিকে নাড়িস্া অন্য স্থানে বসাইলে কোন, হানি হয় না বটে, কিন্ত কফির চারা যেমন বীজ হইতে বাহিন হইয়া ক্বল্প সময় মধ্যে বা ১1. অঙ্গুলি পরিমাণ লহ্বা হওয়ায় ভহাকে হস্তে ধরিয়া স্থানীম্তরিত করা যায়,াল'বের চীতা! সে দয় লহ্বা হন না-প্রথম হইতেই মাষ্টীর সহি লিপ্ব হইল্সা থাকে, একারণ কচি চারাগুলিকে স্থানান্তরিত করার পক্ষে বিশেষ অন্গবিধ! হয়, ভজ্জন্ত যে স্থানের চারা সেই স্থানেই ভতৈয়ারী করাই সর্কতোভাবে ভাল।

ছালাদের বীজ বপন করার পর অপরাহ্ছে হাপর ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে জল, অভি সাবধানের সহিত হস্ত ছার! ছড়ইরা দিতে হইবে; কারণ অনাবধানে জল দিলে বড় বড় ফৌঁটার আঘাতে যদি কোন কোন বীজ স্থানাস্তরিত হইয়া যাঁয়, তাহ! হইলে সেই সকল বীজ আর অস্কুরিত হয় লা সেই জন্য ছালদ ৩ঁ-পিয়াজের হাপরে অতি সাবধান পূর্বক জল. ব্যবহ্ধর করিতে হয়। হাপরে বীজ বপন করার সময় হইতে বে পর্যন্ত চারাগুলিতর ৫টি পাতা দৃষ্ট না হয়, সেই পর্যন্ত থকফি ইত্যাদির হাপরেক্ ন্যাক) সময় সদয় ঢাকা দে ওয় এবং

কাষ-প্রধালী। ২৩

খুলিয়া! দেওয়। কর্তৃবা। পুর্বে কথা বিশেষ করিস বলিয়াছি। ভংপরে ছালাদ্ের চারার ৫৬ট পাতা হইলে) হাঁপরের আক্ছাদন রাখিবার আর আবশ্যক নাই।

শিষ্। কফির চারার হাপর বহুদিন আচ্ছাদিত করিয়া রাখিতে হয়, কিন্তু ছালাদচারার হাপরাচ্ছা্দন শীপ্ব মোচন করিয়। দিতে হইবে কেন?

* গুরু | তাঁহার কারণ এই যে, কফির চার! যেন্ধপ নর কব ছালাদের চার তদ্রুপ নরম হয় না। ছালাদের চাঁরা ৩৪টি পাতা সমদ্বিত বড় হইলেই সহসা সাড়ৌল শক্ত হইয়! থাকে, সেই জন্য ইহার হাপরে বেশী দ্রিন আচ্ছাদন বাখিবার আবগ্যক্চ নাই। 'আঁর এক কথা -_কফির চার! প্রস্তত কারে হলে, বী্ঘ বপনের দিন হইতে প্রাক বা২॥ মাঁস সময় লাগে, ইহার চার! প্রস্তত করিতে হইলে বা 9 সওয্বা মাসে ধিক সময় লাগে না।

পরে, অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম, যে জমিতে সার ছড়াইয়। চাষ দিয়! রাখা হইয়াছে, উক্ত জমিতে একবার কি হইবার লাঙ্গল খানা চাঁষ ছুইবার মই দিয়! এক দিকে সামন্য ঢাল করিতে হইবে, এবং ঢালের দি লক্বভাঁবে প্রস্থে তিন হস্ত অন্তর অন্তর অর্ধ হস্ত পরিসর এবং উচ্চ, আস্পাঁশের রঃ কোদাল দ্বার! চাচিয়া এক একটি' আইল মত করা গক। এই রূপে আইল গুলি তৈয়ারী হইলে, উহার মধ্ধো নব্যে যে তিন হস্ত পটীজমি থাকিবে, খ্ী জমি সমান পাড় অংশ করিয়া, উহাতে ল্বনভাবে গাছি দড়ি ফেলিতে হইবে এবং & দড়ির গায়ে গায়ে ২॥ পোয়! অন্তর খ্বন্তর বিড়ানদারা একএকট

২৪ কৃষি-প্রণালী।

খুবি কাটিন্ব'; অপরাহ্ছে প্রতি খুবিতে একটা করিস! চারা! গোপন করতঃ দিও মত জল ব্যবহার করা উদচত। হাপত্র হইতে চার উদ্ভোলন করিবার সময় এরূপ সাবধান হইয়। কুলিতে হইবে বে, বেন চাঁরাগুলির মুলদেশে কিছু কিছু মাটী থাকে, চারার শিকড়খুলি 'অধিকন্ত না ছিড়িয়া যাস, সেই জন্য অগ্রে দেখ! উচিত বে, হাপরে মাটী,কিছু নরম আছে কি শুষ্ক আছে, যদি নিরস বোধ হন. তাহ1 হইলে চার! উদ্ভোজন, করিবার ছুই ঘণ্টা পুর্ধে হ'পরে শন্প পরিমাণে জলদিয়া মাসী নরষ্ করতঃ চারাগুলি উচহাঁলন করিহে হইবে, তাহা হইলে চারগগুলির সিক ছিডিবার আর আশঙ্কা থাকিবে না।

শিব্য। দেব! আর একটী কথ।, আপনাকে নিবেদন করি, ঘি কতকগুলি চার! একেবারে উন্বোলন করিয়া কৌন কারণ বশতঃ সেই দিনে সমস্ত রোপণ করা না হর, তাত! হইলে পরদন সেই চারাগুলি রোপণ করাবায় কিনা?

গুরু অদ্যকার চারা কল্য রোপণ করিলে তাহাতে বিশেষ কোন হানি হত না, কিন্তু চারাগুলিকে রীতিমন্ত ভাল স্থানে সাবধান পৃর্ধক রাখিক্ন! দেওয়া কর্বা।

শিষ্য প্রভো ! আমি কৃষি বিবরে নিতান্ত অভ্র, যে সেতু

মান্য বিষয় কইয়! বারশ্বার প্রশ্ন করিতেছি আপনি বে সকল বিষশ সংক্ষেপে উল্লেখ করেন, তাহ। আমার পক্ষে অভ্ীব জল বলির] রোধ হয়। অতএব আপমি অনুগ্রহ করিল প্রীত মনে উক্ত চালা রক্ষার্সে কিরূপ স্থান শির্ণর করিতে হুইবে। এবং কি ভাবে রাখিকা দিলে পরিণামে তাহাতে কোন অনিষ্ট

হঈবে না, সেই কর্থাগুলি বিশেষ করিনা বলুন |

কৃষি-প্রণালী। ২৫

গক্র যে সকল চারা কলা বোঁপণ করিবার 'জন্য রাখ। হয়, স্তাহাদ্দিগকে কোন একটি পাত্রে (অর্থাৎ ঝুঁড়ি বা বাজরাঁর) সোজা ভাবে বসাইয়া রাত্রিযোগে শিশিরে রাখিয়া দিতে হইবে, * এবং পরদিন দিবাতে কোন নিরাপদ শীতল স্থানে হ্বাপন পৃব্রক অপরাহ্ধে নির্দিষ্ট স্থানে রোপণ করা বিধেয়।

শিষ্য চারাগুলি ঝুড়িতে রাখিবার সময় সোজা! ভাবে না ক্বাবিমা, যদি কাইতভাঁবে রাখ! হয়, তাহ! হইলে কি কো" দোষ ঘটয়া থাকে £ |

গুরু দোষ ঘটে বৈকি, কাইতভাবে রাখিয়া! দিলে রাত্রির অধ্যে চার! সকল স্বাভাবিক মাথা খাঁড়া করে, তাহাতে চারা বাকিয়া যায়, সুতরাং বাঁকা চারা রোপণ করিলে ভবিষ্যতে দেখিতে কদর্য ভাব হয়। এইরূপে চারাগুলি সমস্ত ক্ষেত্রে রোপণ করা হইলে ২৩ দিন অপরাহে, একটু একটু জিউনি জল দিতে হইবে। তৎপরে ৫১৭ দিন গত হইলে, চারা সকল অন্ন সন্ডৌল (অর্থাৎ জঙ্বিতে সংলগ্ন) হইলে একবার নিড়ান দ্বারা গোড়াগুলির চতুর্দিকে অঙ্গুলি ব্যবধানে উষ্কাইয়া দেওয়া! আবশ্যক। কিন্তখুঁচিয়া দেওয়ার সময় যেন এক অঙ্গুলি পরিমাপ গভির করিয়া! খুঁচিয়া দেওয়া হয়। ততৎ্পরে ১১১২ দিন খত হইলে, কোদাল দ্বারা ভাস! ভাস (নর্থাৎ অস্কুলি গভিরতার়) সমন্ত ক্ষেত্র কোপাইয়া, হস্ত দ্বারা সমস্ত মাটী সমান করা আবশ্যক! পরে ক্ষেত্রের মাটী অল্প শুষ্ক হইলে, ( অর্থাৎ ৫১ দিন বাদে) একবার ক্ষেত্রে জল দিঞ্চন করা বিধেয় ; এবং জগদিকলের ৫৭৮ দিন অন্তে দেখিতে হইবে যে, ক্ষেত্রের মাটী কর্দাঘের স্টার রহিয়াছে, কি ঝরবরে

কৃবি-ত রে লী 1

হইবার যো হইয়াছে, যদি মাটা বেশ ঝরঝরে দেখা যায়, হা হইলে, পুনর্জার ৫1৭1” অঙ্গ,লি গতীর করতঃ সমস্ত ক্ষেত ৩াদালু দ্বারা কোপাইযা, দিবস কি তৎপর দিবস হস্ত দ্বারা সমস্ত মাটি সমান করা কর্তব্য। পরে ১.).৫ দিন বাদে দেখিতে হইবে যে, ছালাদ্গাছ “চাক ধরিয়া” উঠিবার উপক্রন্ হইয়াছে কিনা? শিষ্য) মহাক্সন ! কৃষি সন্বন্ধীষ্ব নানাবিধ কথা শুনিপ্রা। আমি আনন্দে পর্িপ্রুত হইতেছি। ষতই 'নুতন নুন্তন কথা আমার কর্টগোচর হইতেছে, ততই আমি কথার মর্ম অবগত হইবার জন্য একান্ত উৎনুক হইস়্া প্রশ্ন করিতেছি অতএব প্চাকধর।” কাহাকে বলে, এবং তাহা কিন্ধপ, অনুগ্রহ পুব্বক্ক বুঝাইয়া দিউন। | গুরু | প্চাকখরা” সম্বন্ধে সাধারণতঃ একটী কথা এই ষে, [াছের পাত! বড় বড় কফির ভার হইক্সা মাটীতে লুটিয। গড়াঁকে *চাকধরা" বলে। চাকধর1 (অর্থাৎ পঞ্ড লুটিস্বা পড) জবস্থ। যদি দৃক্টগোচার না হয়, তাহা হইলে ছালাদ ক্ষেত্রে আর একবার জল সিঞ্চন করিতে হইবে এই জল দেও স্বর *৮দিন পরে দেখা উচিত ছালাদক্ষেত্রে মনুষ্য যাতায়াত সত্রিলে, পা বসিক্ন! যায় কি না, ষদি পা না বসে, অথচ আল্প পরি্।ণে রম আছে বলিন্না অনুভব হয়, ত'হা হইলে, সময় কিছু কলার ছোট! কিস্বা বিচাঁলী আানিয়। ছ!লাদ গাছের পালি শ্রক্ত্রিত করতঃ ন্বিচালীব্র ধা কলার ছোটার ছই চা্সিগাছি লইয়া, হাতি সারধান? পুর্বাক প্রত্যেক গাছে দাই বাধিঙ্কী দেওয়া উচিত | কিন্তু এমন সতর্কতার সৃহিত

কুষি প্রবালী | ২৭.

বধিতে হইবে যে, যেন সময় হস্তের ঢাঁপে' পাতাগুলি জাগিয়া ন! বায়। আর গাহগুলি বাধিয়া দিবার, উপযোগী কি না) ইহা অগ্রে জ্ঞাত হইয়া! উক্ত কার্ষোে ব্রতী , ভগ সব্বতোভানে বিহেজ। শিব্য। ছালাদ গাছ বারতা দিবার উপযোগী হইয়াছে, কি.অনপোষোগী অছে, হাহা কিরূশে জানা যাইবে? তক তাহা জানিবার উপায় এই যে. ছালাদ গাছ ছোট অবস্থায় পাতাগুলির বর্ণ ঘোর সবুক্ী পাকে, ক্রমে ক্রমে ষত বনঃপ্রাপ্ত হয়, ঈবদ সফেন বা হইন্বা, পাচাগুলি ক্রমশঃ মোটা ব। পুরু হয়, এবং হস্ত দ্বার টপিক ধরিলে মুচ মুচ করিয়া ভাঙ্গিয়! যায় শিষা। গপ্রভো ! একটি কথ; আপনাকে নিবেদন করি, কফির ভাপ ছালাদ তালবাধেকিনা? গুরু বৎস! তোসার প্রশ্নের ভাবার্থ অতিশয় সহজ হই- নেও আমার পক্ষে অতিশয় গুরুতর হত, কারণ, তুমি যে ভাবে প্রশ্ন কর, তদ্বিষয়ে দ্বিতীয়বার প্রপ্ন উখিত হইবার সম্ভাবনা, তজ্জন্ত আমাকে অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা করিয়া প্রতুত্তর করিতে হয়। আমি মনে করি (যে বিষরই হউক না কেন) সংক্ষেপে বলিয়া শেব করিব) কিন্তু তহিষন্ে তুমি রীতিমত মীমাংসা না হইলে ছাড় নাঃ অতএব সহজ প্রশ্ন হইলেও আমার পক্ষে যে গুরুতর, তাহার আর অণুযাঁর সন্দেহ নাই। এক্ষণে তোমার প্রথ্নের উত্তর এই যে, কফির ন্তাঁম় শক্তক্হইয়া ছালাদ তাল বীধ্ধে না। শিষা। দেব! কার্য্য হইলেই কারণ খাকিবিই থাঁফিবে।

২৮ কৃষ-প্রণালী।

ষখন স্পইই প্রতীয়মান হইতেছে যে, ছালাদকে কির ভা বন্ধন করিতে হইবে, অথচ তাস বাধিবে না. আুভারাং তাহাতে কারণ থাকিক্ার বিলক্ষণ সম্ভাবনা! অতএব সরলাস্তঃকরণে বলুন দেখি যে, তবে স্থানান্তর হইন্তে বিচালী ৰা! কলার ছোট! আঁনরনপুববক পরিশ্রম করিয়া ছাঁলাদকে বধিবার কারণ কি?

গরু তাই বলি, তুমি মীমাংসা না হইলে ছাড়িনে নাঃ বাঁধিবার কারণ এই নে, ছালাদকে বন্ধন করিলে, ভিতরের পাতা কোচড়াইর] হদ্ধের তায় সাদ? হয়, এবং অতি- শয় নরম মুচসুচে এবং আশ্বাদনও ভাল হয়। এইরপে 'বন্ধন কার্য্য সম্পন্ন হইলে, ১৫ দিন পরেই ছালাদদ খাঁদ্যোপ- ঘোগী হইয়া উঠে। ইহার বীজ বপন করিয়া চাঁরাঁ প্রস্থ করিতে পারিলে, আবাদ সহজেই কর! যাক্স। এই প্রণালীতে ছালাদের চাঁষ করিলে, এক বিঘা জমিতে খরচ কম বেণী বাদে ৫*২ টাক] লাভ হয়।

শিষ্য। প্রভো ! অন্যান্য চাষ করিলে বেশী লাভ হয়, রিস্ত ইহার চাষে লাভাঁংশ এত কম হয় কেন ?

গুরু তাহার কাঁরণ এই যে, ছাঁলাঁদ আসাদের দেশে ভাদৃশ প্রচলিত না থাকা, অনেকেই তাহ ব্যবহার করিভে জানেন ন', সুতরাং বিক্রয় কম হইলে লাভাংশ্বও কম হইবার সম্ভতাবন!। অহো ! আর একটী কথ! ভুলির1 গিয়াছি বাপু!

শিষ্য। পক কথা গ্রভো !

গুরু কথাটা এই, ছালদে ছোটা দিপা বাঁধিয়া! দেওয়ার পর, যদি কোন দিন কোন সময়ে আকাশের বৃষ্টিপাত "হয়, আহা হইলে পরক্ষণেই ছোট্টাগুলি খুলিয়া দিতে হইবে।

কৃষি-প্রণালী | ২৯ শিষ্য প্রভো ! এত পরিশ্রম করিফ' বাঁধিয়া আবার খুলিয়া দিতে হইবে কেন ? | গুরু তাহার কারণ এই যে, ছালাদের বন্ধন অবস্থায় আকাশের বৃষ্ট পতিত হইলে, ছাঁলাদের ভিতরে জল প্রবেশ কল্গে, সেই সমম্ন ন। খুলিয়া দলে জল বহির্গত হই তে পারে না শিষ্য ছালাদ হইতে জল যদি বহির্গত ন1 হয়, তাহ? হুইলে কি দোষ হয়? গুরু। ছালাদে, জল '্রবেশ করিরা ২৪ দিন থাঁকিলে ছালাদের পাঁতাঁয় ভাঁজ! ধরিয়া ক্রমশঃ নষ্ট করিতে থাকে। (যদিও এককালীন পচিয়া নষ্ট না' হ্য়) আস্বাদনও অনে- ংশে তফাত হয়। সেই জন্য ছালাদ হইতে জল প্রক্ষেগ হইলেই পুনববর্ণর পুন্বমত বীধিয়া দেওয়! উচিত, কারণ, বেশী সময় খোল। থাকিলে রৌদ্র শিশির ভোগ দ্বারা ক্রমশঃ উহার মচমচে গুণটুকু দূরীভূত হইয়া বাঁয়। শিষ্য। ছাঁলাঁদের আবাদের বিষন্ন বিশেষ রূপে শুনিয়া তাহার মর্ম অবগত হইলাম এক্ষণে অন্ত কোন সবজী বিষয়ের কথা উত্নেখ করুন গুরু | তছুব ক্যাবের আবাদের বিষয় বলি শুন। শিষ্য। ক্যারট কি প্রকার প্রভো ! শুরু। ক্যারট (হগিদ্রা্ণ সূলায় ন্যায় এক প্রকার গাজর)। ,শিষ্য। যে আজ্ঞা, তবে উক্ত বিষন্ন বর্ন ক্রিয়া চির ক্ৃতগ্রতাপাশে আমাকে মাবদ্ধ করুন। ইত চতুর্থ অধ্যায়।

উকি

৩, কষি-প্রণালা। পঞ্চম অধ)ার 1৯12 01 04110 আলি হরণ ক্যারট। ছেরিদ্বা বর্ণ মূলাঁর সভায় সিঙ্গে গার) |

গুরু আলি হরণ ক্যারটের বীজ আমেরিকা ইংল্যা 9 প্রচুর পরিমাণে জন্মিয়া থাকে ইহার চাষ পোঁলি দ্বো মর্শশ মাটাতে.ভাল হয়, এবং বিঘা প্রতি ৮* ভরি টিজ বাবহার হয়! থাঁকে। ইহার আবাঁদ'করিবাঁর জন্য যখন অমি নিদ্দিষ্ট করিতে, হুইবে। সেই সময় বিশেষ রূপে জান! উচ্চি বে, জনিখানি ঘেন “বাঁরমেনে” হন, কারণ, “বাঁরনেসে জা” গাজরের পক্ষে বিশেষ হিতছনক। নিতান্ত যদি বাঁরমেসে জগ ন। পাওয়া যায়, তাহ! হইলে পখিলভাঙ্গা বারমেসে অমিতে 'কিরিলেও চলিন্ছে পারে।

শিষ্য। খিলভাঙ্গা বারমেষে অমি" কাহাকফে বলে, তাহা আমি বুঝিতে পারিলাম ন্!

গুরু “খিলভাঙ্গ।”, "খিলভাঙ্ক। বারলেসেশ “বারদেসে" ইহাদের বিব্রধ যদি, বিশেষ রূপে শুনিবার ইচ্ছ। হইস্্া থাকে, তবে বলি গুন। কিন্ত প্বারমেষে জনির” কথ! ছালাদের চাষের সময় উল্ব্রধ করিয্নাছি, তাহা যদি ভালক্পে না বুঝির! থাক, ব্তাহাও আর একৰার বলি গুনখ খা--যে জমি কাস্তিফ মাসে এক বার কি হইবার লাঙবের দারা চাষ দিয়া ফেস

কৃষ-প্রণালী। ৩১.

রাধ। হয়,(নর্থাৎ পতিত থাঁকে। তাহাকে কেবলদখিলভঙ্গা জবি" বল! বাঁয়। শ্ার দে জগিত কার্তিক মাস হইন্তে লাঙ্ষলের চাঁষ প্রতি মাসে ১১বার করিয়! দে দয়া হয়, অথচ জমির ঘাঁস জঙ্গল সপ্ূর্ণ রূপে মরে না এবং কোন ফসলও তাহাতে করা হয় নাট, র্‌ তাহাকে খিমভাঙ্গা বাবমেদে জমি” কহে আর মে জমিছ্ছে কার্তিক হইতে প্রতিমাসে দফায় বার চাঁষ দিয়া জঙ্গির .লাঘ মারিয়া রাখা হয়। অথচ জমিতে কোন ফসল করা হয় নাই, তাহাকে "বারমেসে জমি" বলা বাঁয়।. ইহার আবাদ সব্বন্ধে যে 'জগি নির্বাচন হইবে, উন ফান্ধন বা চৈত্র মাহাঁয় বিঘা প্রতি ভেড়ির নাঁছি সায় চার গাড়ী (অর্থাৎ ৪* মোপ' ব্যবহার করিতে হইবে, নতুবা পচা গোঁময় সাব গড়ি অর্থাৎ ৫০ মোণ) সমস্ত ক্ষেত্রে ছড়াইনা একবার কি ছুইবর লাঙ্গল দিয়া, সারগুলি মাটির সহিহ মিশ্রিত করিয়া রাখিতে হইবে তৎপরে আষাঢ় মাসে জমিতে ১১ বার চাষ দিয়া, একপালা পাতলা পাঁতলা মই দেওয়। ক্সবশ্যক। আর ষদ্দি খইল সার জমিতে ব্যবহার করিতে হয়, ভাহ! হইলে, শ্রাবণ মাসের প্রথমে বিদ্বা প্রতি ২৫ যোগ সরিহা বাতিল কিন্বা তিসির খইঞ্জ দিতে হইবে আর যদি রেড়ির ধইল দিতে হস্ত, তাহা হইলে২* মোঁণ দিলেই, বথেই হইবে। মে প্রক্কারের খইল হউক না. কেন, এইরূপে এককালীন জনিতে ছড়াইয় দিয়া একবার কি ছুইবাঁর চাঁষ দেওয়া উচিত সাঁরেতে মাটিতে রীতিমত মিপ্রিত করিস্না পাতলা পাতলা একপাল! মই দিয়া, এমন ভাবে সৃতর্ক থাকা উচিত, বেন বর্যার তোড়ে ক্ষেত্রের আঁসপাঁশের আইল গুলি না ভাঙ্গিয়া

৬২ কূষ-প্রণালী |

বাঁ, যদি হাই ঘটে, তাহা! হইলে, মধো মধ্যে আইলগুলি বাধিয়। দেওব' আলশাক। পূন্বে বলা হইছে (ভন আইল দিয়! জলের সহিত পার সকল বহির্গন্ত হয়া যাইতে পারে)। এই রূপ সামরিক তার্ধয গভিবাহিত হইলে ভাদ্র আশ্বিন মাসে উক্ত জমিত* আব লাঙ্গন দ্বার! চাষ দিবার আবশ্যক নাই কিন্ত ছুই মাঁদেন যধ্যে ক্ষেত্রে সে সকল ঘাস জঙ্গল উৎপন্ন হইবে, তাহা মল্ধা মধ্যে নিড়ান দ্বারা নিড়াইয়া কিনব হুস্ডের দ্বা! উৎপাউণ করিয়া জমির বহির্দেশে ফেলিয়। দেওয়। কর্তব্য। পরে, চাক মাপে ক্ষেত্রে এক দিন দোবার চাঁৰ দিয়। দেখিতে হইবে যে, উহাতে বীজ বপনের যে! হইতে (অনুযানে) কয়দিন. বিলম্ব আঁছে। যে দিরস ক্ষেত্রে বীজ বপনের সুবিধা বোধ হইবে, সেই দ্দিবস পুনর্ধার একবার পাতিল! পাতলা লাঙ্গল দ্বারা চাষ দিয়া, এক দিকে সামান্ত ঢাল করা উচিত) এবং প্রস্থে ২॥ হস্ত অন্তর অন্তর ঢালের দিকে লম্বঘভাবে এক একটি দড়ি ফেলিতে হুইবে। পরে দড়ির আসপ।শ হইতে কোদাল দ্বারা মাটা চাঁচিয়া অর্ধ হস্ত পরিসর উচ্চ, এক একটি আইল মত করিয়া সমন্ত ক্ষেত্র ঠিক করা আবশ্যক গাঁজরের বীজ বপন সম্বন্ধে ছুই প্রকার প্রণালী সচরাচর দৃহিগোচর হয়। যথা, প্রথমতঃ এই এক প্রণালী ; কথিত ৮* ভন্ি বী্গ সংগ্রহ করতঃ আইলের ব্যস্থিত যে পঁটীজমি আছে, তাহা নির্দিষ্ট করিক়! ক্টীজগুলি তদনুযারী অংশ করিছে হইবে ) এবং প্র এক এক অংশ বীজ, এক একটা পটীতে বপন করিয়া পরক্ষথেই কোদাল দ্বারা 6৫. অঙ্গুলি গভিরতা় ধন, খন

কৃষি-প্রণালী। ৩৩

খুচিন। মাঁটাগুলি হস্ত দ্বারা রীতিমত সমান করি! দেওয়া অগবশ্যক। পরে, একদিন কি-ছুই দিন বাদে বীজের পর একবার জল দিঞ্চন করিলে, ১৯২* টিনের মধ্য বীঙ্গ সকল অস্কুরিত হইয়া চাঁরা প্রসব করে। দ্বিতীয়তঃ পুর্বে বিউপালমের বীজ সন্বন্ধে যেক্প নিয়ম উদ্ভাবন কর! হইঞ্নাছিল, (অর্থাৎ বীজগুলিকে হুর্যোন্ধাপিত জলে ভিজাইয়া রেডির ্া্তায় পুটলি করতঃ বাভ্রিযোগে কোন নিরাপদ স্বানে রাখিশ্না দেওয়া! উড্টিত।) কথিত প্রণালী অনুসারে বীঙ্গ- গুল অস্কুরিত হইলে, পরে বপন করিয়া সমস্ত পটটাৰ মাটী হস্ত দ্বারা সমান করা! বিধেয়। এইরূপ নিয়মে কার্য করিলে, অচিরে, এমন কি ৫1 দিনের মধ্যে বীজ সকল চান প্রন করে। কিছুদিন পরে, চাঁরাঞ্চলি ৫৬ অনলি বড় হইলে, ক্ষেত্রের ঘাস সমস্ত লিড়ান দ্বার! নিড়াইয়া পরিষ্কার কট্তে হইবে, কিন্তু ঘাঁসগুলি নিড়াইবার 'সময় কথিভ আই- লের উপর বসিম্না হস্ত প্রসারণ পূর্বক পটী জমির সমস্ত ঘাস নিড়াইয়া দিতে হইবে। ঘাস গুলি রীতিমত নিড়ান হইলে, সমস্ত ক্ষেত্র ছুই অঙ্গ,লি গভীরতায় নিড়ান দ্বারা খুঁচিন্না দেওয়া আবশ্যক তৎপরে ১৫ দিন গত হইঙশে একবার জলসিঞ্চন করা বিধেয়। এই জশ্মসিঞ্চনের পর ৫া৬ দিন বাদে পুনর্ধার নিড়ান দ্বারা পূর্বমত সমন্ত ক্ষেত্র খুঁচিয়া দেওয়া আবশ্যক , তৎপরে ৫1৭১০ দিন বাঁদে দেখিতে হইবে যে, গাঁজরগাঁছে টি ধরিবার উপক্রম হইতেছে কি ন11

শিষা। সগুটীধরা” কাহাকে কহে এবং কি প্রকার ভা: ভনুগ্রহ করিয়া বলুন ,

ঙ৪ কষি-প্রণালী

সু | “টব একট কথ। এই যে. গাছের মৃলবৃদ্ধিতন উপক্রম হইলে, তাহাকে ৭গুউ ধরা” বলা যায়। রূপ গাছেত্র মূলদেশে “গুহীদরাঁ” দৃষ্টি হইলে, পুনর্পার আর একবার জল সিঞ্চম করা বিদেয়। এই